ব্রেকিং নিউজ


বিষয় :

খালেদার আদালত স্থানান্তরের রিটের শুনানি মঙ্গলবার


১০ জুন, ২০১৯ ৫:০৫ : অপরাহ্ণ

ঢাকা: বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার বিচারের জন্য কেরানীগঞ্জের নতুন কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতর আদালত স্থানান্তরের বিষয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার চেয়ে হাইকোর্টে করা রিটের শুনানি হবে মঙ্গলবার।

সোমবার(১০ জুন) এ দিন ধার্য করেন বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন  বেঞ্চ ।

রিটের পক্ষে শুনানি করতে সম্পূরক নথিপত্র দাখিল করার জন্য সময় চান খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। পরে রিটের শুনানী মঙ্গলবার পর্যন্ত মুলতুবি করা হয়।

বিএনপি চেয়ারপার্সনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, এজে মোহাম্মদ আলী, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনালের মুরাদ রেজা। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

২৬ মে আদালতের অনুমতি নিয়ে খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আদালত স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিট আবেদন করেন।

পরের দিন রিটের শুনানি করতে গেলে মামলায় হাইকোর্টের আদেশের পর দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) পক্ষভুক্ত করা হয়। ২৮ মে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ মামলাটি ১০ জুন পর্যন্ত মুলতবি করেন।

এর আগে আদালত স্থানান্তরে জারি করা গেজেট বাতিল চেয়ে গত ২১ মে আইন সচিবকে আইনি নোটিশ দেয়া হয়। সে নোটিশে গত ১২ মে জারি করা গেজেট বাতিলে সরকারকে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়ে বলা হয়, এই সময়ের মধ্যে গত ১২ মে জারি করা এ-সংক্রান্ত গেজেটটি প্রত্যাহার বা বাতিল না করা হলে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে। সে অনুযায়ী সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতর থেকে কোনো জবাব না পেয়ে ২৬ মে রিট আবেদনটি করেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

নোটিশে বলা হয়, ১২ মে আইন মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। ওই প্রজ্ঞাপন অনুসারে খালেদা জিয়ার মামলা শুনানির জন্য পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বিশেষ জজ আদালত-৯ কেরানীগঞ্জে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদের স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, যে কোনও বিচার হতে হবে উন্মুক্তভাবে। কারাগারের একটি কক্ষে উন্মুক্তভাবে বিচার হতে পারে না। ফলে এই প্রজ্ঞাপন সংবিধানবিরোধী।

একইসঙ্গে কোথায় কোথায় কারাগার স্থানান্তরিত হতে পারে তা ফৌজদারী কার্যবিধি আইনে দেয়া আছে। ফৌজদারী কার্যবিধি আইনে কোথাও উল্লেখ নেই যে, কারাগারের মধ্যে আদালত স্থাপন হতে পারে। সুতরাং সংবিধান ও ফৌজদারী আইনের বিরুদ্ধে সরকার অবস্থান নিয়েছে।

আর করিম চৌধুরী/এস জি নবী

 

ট্যাগ :

আরো সংবাদ