ব্রেকিং নিউজ

ঘূর্ণিঝড় ‘বায়ু’ আঘাত হানবে ভারতে


১১ জুন, ২০১৯ ১১:০৯ : পূর্বাহ্ণ

আরব সাগরে সৃষ্ঠ  ঘূর্ণিঝড় ‘বায়ু’ ধেয়ে যাচ্ছে ভারতের গুজরাট উপকূলের দিকে। আরব সাগরে সৃষ্ঠ এই ঝড়ের কোন প্রভাব বাংলাদেশে পড়বে না।আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে ওই ঝড় শক্তিশালী রুপ ধারণ করবে বলে ভারতীয় আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।তীব্র গরমে কাহিল জনপদ গুজরাটে এই ঝড়ে তাপমাত্রা কমবে বলে জানাচ্ছে স্কাইমেট ওয়েদার। ফণির আঘাতের পর দীর্ঘদিন ধরে সেখানে বৃষ্টির দেখা নেই।

এদিকে ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা মঙ্গলবার(১১জুন) জানায়, নির্ঘণ্ট মোতাবেক ১ জুন না-এসে বর্ষা এ বার কেরলে ঢুকেছে ৮ জুন। কেরলে মৌসুমি বায়ু ছড়িয়ে পড়লেও তার তেমন জোর নেই। ফলে ১ জুন থেকে ১০ জুন পর্যন্ত বর্ষার ঘাটতি ৪৬ শতাংশে পৌঁছেছে। পশ্চিমবঙ্গে ঘাটতি প্রায় ৫৬ শতাংশ। তা আরও বাড়তে পারে। খরার কবলে পড়া মহারাষ্ট্র এবং মধ্যপ্রদেশে বৃষ্টির ঘাটতি যথাক্রমে ৭৫ এবং ৯১ শতাংশ। আবহাওয়াবিদরা জানান, বর্ষায় মৌসুমি বায়ুকে নিয়ে বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলে। সেটাই বর্ষার ভারসাম্য বজায় রাখে। কোনও একটি সাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে তা সেই উপকূলে মৌসুমি বায়ুকে সক্রিয় করে। কিন্তু অন্য উপকূলে দুর্বল হয়ে পড়ে বর্ষা। আরব সাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে মৌসুমি বায়ুকে সে পশ্চিম উপকূলে বেঁধে রাখবে। বর্ষার প্রসাদ থেকে বঞ্চিত হবে বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন রাজ্যগুলি।

রোদের ঝিলিক, বাইরে তাকানো দুস্কর!

আমাদের চট্টগ্রাম অফিস জানায়,  মঙ্গলবার(১১জুন) সূর্য উঠার পর থেকে ঘরের বাইরে তাকানো দুস্কর হয়ে পড়েছে। রোদের ঝিলিক। দৃষ্ঠি ফিরে আসে। শরীর থেকে ঘাম ঝড়াচ্ছে। পুরোপুরি বৃষ্টির দেখা নেই। বাংলাদেশের চারদিকে বর্ষার আলামত চলছে।দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু বর্তমানে টেকনাফ এলাকায় অবস্থান করছে এবং এটি আরো অগ্রসর হওয়ার জন্য অনুকূল অবস্থায় রয়েছে।আগামী শুক্রবার বা পরে সারাদেশে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে।মধ্যজুন থেকে বাংলাদেশে বর্ষা শুরু হতে পারে।

আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল অতিক্রম করে পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।এ সব কারণে চলছে আকাশ থেকে আগুন ঝড়া গরম।তাপমাত্রা খুব বেশি না হলেও ঘাম মানুষকে দুর্বল করে ফেলছে।

আবহাওয়া অধিদফতরের আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম বলেন, সারাদেশে তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।বৃষ্টির আগ পর্যন্ত এ অবস্থা চলবে। ঢাকা, টাঙ্গাইল, রাজশাহী, পাবনা, খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলসমূহের উপর দিয়ে মৃদু তাপ প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে
এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।তাপমাত্রাঃ সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য ̈ বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আবহাওয়া অধিদফতরের বার্তায় বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েব সাইট থেকে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ঢাকায় ৩৬ডিগ্রী সেলসিয়াস,চট্টগ্রামে ৩৩.৫ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপামাত্রা রেকর্ড রয়েছে।গত ২৪ঘন্টায় ঢাকায় কোন বৃষ্টিপাত হয় নি এবং চট্টগ্রামে ৬ এবং রাঙ্গামাটিতে ২৭মি.মি.বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।

বিএনএ/এসজিএন

 

ট্যাগ :

আরো সংবাদ