লঘুচাপের প্রভাবে সারাদেশে বৃষ্টি


৭ জুলাই, ২০১৯ ৬:১২ : অপরাহ্ণ

বিএনএ: উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপের প্রভাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্নস্থানে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। লঘুচাপের প্রভাবে ঝড়ো হাওয়াসহ আরও বৃষ্টি অথবা বজ্র বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

বন্দরনগরী চট্টগ্রামে শনিবার(৬ জুলাই) রাত থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসের আশংকা করা হচ্ছে। প্রাণহানি এড়াতে নগরীর ফিরোজ শাহ ও পলিটেকনিক এলাকার পাহাড়ে উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে প্রশাসন। ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়গুলো থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ সরিয়ে নিতে মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে। এর আগে, শনিবার রাতে চট্টগ্রামে ভারী বর্ষণে ভূমিধসের শঙ্কায় পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসরত ৪০টি পরিবারকে ৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হয়।

গত ৩ দিনের টানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামটি ও বান্দরবানের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বেড়েছে অস্বাভাবিকভাবে। বৃষ্টির কারণে পাহাড় ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে এ অঞ্চলে। পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে ১৫ গ্রাম।

এদিকে, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে ঝালকাঠিতে নদ-নদীর পানি বেড়েছে। জেলার সুগন্ধা, বিশখালী, হলতাসহ বিভিন্ন নদ-নদীতে স্বাভাবিক জোয়ারের পানি ৫ থেকে ৬ ফুট বেড়েছে। প্লাবিত হয়েছে নদীপাড়ের পঁচিশটি গ্রাম। তলিয়ে গেছে ফসলের ক্ষেত। এতে নলছিটি, রাজাপুর ও কাঠালিয়া উপজেলায় পানের বরজসহ বিভিন্ন ফসলের বীজতলা নষ্ট হয়েছে।

পিরোজপুরে কঁচা, বলেশ্বর, সন্ধ্যা ও কালিগঙ্গাসহ নদ-নদী ও খালের পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফসলের ক্ষেত। প্রচণ্ড ঢেউ থাকায় আতংকিত হয়ে পড়েছেন নদী পাড়ের মানুষ।

অন্যদিকে, ঝড়ো হাওয়ার আশংকায় সমুদ্রবন্দরগুলোতে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি রাখা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারসমূহকে সাবধানে চলাচল করতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আর করিম চৌধুরী/এস জি নবী

আরো সংবাদ