বৃষ্টিতে জীবন যাত্রা ব্যাহত


১০ জুলাই, ২০১৯ ৬:২০ : অপরাহ্ণ

দেশের অন্যান্য স্থানেরমত  চট্টগ্রামেও বুধবার(১০জুলাই) সকাল থেকে থেমে মুষল ধারে বৃষ্টি হচ্ছে।নগরীর বিভিন্ন নিচু এলাকা দ্বিতীয় দিনের মতো  পানিতে ডুবে যায়।

ভারী বর্ষণের কারণে  তিনটি উড়োজাহাজ চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করতে না পেরে রাজধানীতে ফিরে গেছে।দুপুরে দুটি আন্তর্জাতিক এবং একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটগুলোর চট্টগ্রামে অবতরণের কথা ছিল।চট্টগ্রাম বন্দরের বর্হিনোঙ্গরেও মাদার ভ্যাসেলগুলোতে মালামাল খালাস বন্ধ রয়েছে ৫ম দিনের মত। সমুদ্র বন্দরগুলোর জন্য তিন নম্বর সতর্ক সংকেত অব্যাহত রয়েছে।তবে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক রয়েছে।

চাক্তাই, রাজাখালী, খাতুনগঞ্জ, কোরবানীগঞ্জ, বাকলিয়া ডিসি রোড, বউ বাজার,চকবাজার, ষোলকবহর, পূর্ব ষোলশহর, এক কিলোমিটার, শাহ জালাল আবাসিক এলাকা,খরম পাড়া, পুরাতন চান্দগাও থানা এলাকা, হালিশহরের বিস্তীর্ণ এলাকা, আগ্রাবাদ সিডিএ, পাটানটুলি ও মোগলটুলি, সুপারীপাড়া,হাজী পাড়া যথারীতি পানিতে ডুবে যায়।

বিভিন্ন সড়কগুলোতে বৃষ্টির কারণে যানবাহন চলাচলে ছিল ধীর গতি।বারিক বিল্ডিং মোড় থেকে এয়ারপোর্ট রোড পর্যন্ত যানজট ছিল তীব্র। শেখ মুজিব রোডে আগ্রাবাদমুখি যানবাহনও দিনভর ধীর গতিতে চলেছে।সারাদিনই যানজট ও জলজট লেগে ছিল চকবাজারে।যানজটের কারণে হজ্ব যাত্রীদের বিমান বন্দরে পৌঁছতে বেশ বিলম্ব ঘটে।

তবে চট্টগ্রাম বন্দরের অভ্যন্তরে জেটি সমূহে মালামাল খালাস এবং জাহাজে কন্টেইনার ওঠানামা  স্বাভাবিক ছিল।

এদিকে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর বুধবার সন্ধ্যায় জানিয়েছে, সিনপটিক অবস্থা: মৌসুমী বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের মধ্যঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছে। মৌসুমী বায়ু বাংলাদেশে সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারী অবস্থায় রয়েছে।

পূর্বাভাসঃ রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরণের বৃষ্টি অথবা বজধসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
তাপমাত্রাঃ সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বিএনএ/এসজিএন

 

ট্যাগ :

আরো সংবাদ