শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০

ব্রেকিং নিউজ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পর্ব : ২০০


২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১২:১৭ : অপরাহ্ণ

সরকারের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা অর্থনীতির সকল বিষয় মন্ত্রণালয়কে অবহিত করেন

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি নিধনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ঢাকায় অসংখ্য নিরীহ সাধারণ বাঙালি নাগরিক, ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, পুলিশকে হত্যা করে। ওই রাতেই গ্রেপ্তার করা হয় ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রাপ্ত দল আওয়ামী লীগ প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। পরিকল্পিত গণহত্যার মুখে সারাদেশে শুরু হয় প্রতিরোধ যুদ্ধ। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর), ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ এবং সর্বোপরি বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী সাধারণ মানুষ গড়ে তোলে মুক্তিবাহিনী। গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ চালিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে। ডিসেম্বরের শুরুর দিকে যখন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর পতন অনিবার্য হয়ে ওঠে। মুক্তিবাহিনীর কাছে পরাজয়ের লজ্জা এড়াতে স্বাধীনতা যুদ্ধকে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ৩ ডিসেম্বর ভারতে বিমান হামলার মাধ্যমে যুদ্ধে লিপ্ত হয় পাক বাহিনী। মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সম্মিলিত আক্রমণের মুখে পর্যদুস্ত ও হতোদ্যম পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী যুদ্ধ বিরতির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। কিন্তু ১৬ ডিসেম্বর কোন ঘোষণা ছাড়াই ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তান ৯৩,০০০ হাজার সৈন্যসহ যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে আত্মসমর্পণের দলিলে সই করে। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ হিসাবে পৃথিবীর মানচিত্রে আত্মপ্রকাশ করে। স্বাধীনতার সেই প্রেক্ষাপট বর্তমান প্রজন্মের কাছে অজানা। নতুন প্রজন্মের কাছে  স্বাধীনতার সঠিক  ইতিহাস তুলে ধরতেই বাংলাদেশ নিউজ এজেন্সি (বিএনএ) বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধ দলিলপত্র (১-১৫ খণ্ড) এর ভিত্তিতে ধারাবাহিক ভাবে প্রচার করছে ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ।

আজ প্রচারিত হলো  পর্ব : ২০০

কর্মকাণ্ড এবং সংস্থা

মন্ত্রণালয় নিম্নোক্ত কাজের জন্য দায়ী থাকবে

১ পাট উৎপাদনের ব্যাপারে মূল নীতিমাল এবং পরিকল্পনা সংক্রান্ত

২ পাটের মোট ক্ষেতের পরিমান

৩ বিদেশী বাজারে এবং আভ্যন্তরীণ খরচের মূল্যায়ন।

৪ একর প্রতি মানসম্পন্ন পাট এবং অধিক ফলনের উন্নতি।

৫ পাটের নতুন ব্যবহার

৬ পাট চাষের ব্যাপারে আগ্রহ।

 

 সচিবালয়

মন্ত্রী

সচিব

যুগ্ম সচিব

উপ সচিব                                         উপ সচিব

ভারপ্রাপ্ত সচিব                                    ভারপ্রাপ্ত সচিব

এস ও   এস ও   এস  ও                    এস ও  এস ও  এস ও

 

 

সংযুক্ত প্রতিষ্ঠান

১ কেন্দ্রীয় পাট কমিটি

২ পাট গবেষনা প্রতিষ্ঠান

৩ পাট বীজ বৃদ্ধিকরণফার্ম

 

রাষ্ট্রীয় অঙ্গীকারাবদ্ধ

১ রাষ্ট্রীয়পাট বাণিজ্য কর্পোরেশন ফার্ম

আওয়ামীলীগ সরকার পাট ব্যাবসাকে জাতীয়করণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।এর আভ্যন্তরীন ক্রয় এবং বিক্রয় ,একইভাবে এর রপ্তানী সহ।এর লক্ষ পরাশ্রয় মধ্যসত্বভোগীদের এবং উতপাদনকারিদের শোষণকারীদের বাদ দেয়া।এটি পাট চাষীদের সঠিক মূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করবে।একটি আই কর্পোরেশন স্থাপনের ব্যাপারে পাশ হবে।

২ পাট বাজারজাতকরণ কর্পোরেশন।

৬ শিল্প এবং বাণিজ্য মন্ত্রনালয়  কর্মকাণ্ড এবং সংস্থা

শিল্প এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাজের মাধ্যমে সম্পৃক্ত থাকবে বৈদেশিক বাণিজ্য,পুরো আমদানি এবং রপ্তানীর উপর নিয়ন্ত্রণ,রপ্তানী উন্নয়ন,বাণিজ্য চুক্তি সম্পর্কে আলোচনা,শুল্ক নিরুপন,বৈদেশিক দেশ সমূহে বাণিজ্যিক উপস্থাপন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ও প্রদর্শনীতে অংশগ্রহন।

এটি আরো নিয়ন্ত্রণ করবে আভ্যন্তরীণ ব্যবসা এবং বাণিজ্য,ট্রেডমার্কস,মালিকানা সত্ব,গুণত মান,পন্যের মান নির্নয়,বাহিরের বাজার এবং মূল্য প্রতিযোগিতা।প্রায় পুরো ব্যাক্তি মালিকানা শিল্পের ক্ষেত্র এবং সরকারী শিল্প ক্ষেত্র, ক্ষুদ্র শিল্প সহ যেমন চা এর সাথে জড়িত শিল্প এবং   রাবার ইত্যাদি এই মন্ত্রণলয়ের অধীনে থাকবে।

আরো উল্লেখ্য যে এটি উৎপাদনকারীদের তাদের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সাহায্য এবং দেশের শিল্প উন্নয়নের গতিবেগ বজায় রাখার দায়িত্বে নিয়োজিত একই সময়ে, ভোক্তাদের আগ্রহে,এটি  উৎপাদন,বিতরন এবং আরো জরুরী জিনিসপত্রের দাম নির্ধারণ, রাসায়নিক এবং সিমেন্ট সহ পুরো ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করবে।

শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রনালয় একটি সচিবালয় ,আরো কতগুলো অফিস এবং এর অধিনস্থ কিছু অফিস নিয়ে গঠিত।এই মন্ত্রনালয়ের অধীনে থাকবে একটি বৃহৎ সংখ্যক রাস্ট্রীয় অঙ্গিকারাবদ্ধ বোর্ড,একটি কমিশন,একটি কমিটি,এবং বাংলাদেশ মান নিয়ন্ত্রন প্রতিষ্ঠান।এই মন্ত্রনালয় পরিচালিত হবে শিল্প এবং বানিজ্যের জন্য মন্ত্রী পরিষদের মন্ত্রী দ্বারা, যে সহযোগিতা পাবেন দুই জন প্রতি মন্ত্রী, একজন বানিজ্য মন্ত্রনালয়ের জন্য এবং আরেকজন শিল্প মন্ত্রণালয়ের জন্য।

সচিবালয়

 

সচিব                                                               ১

অতিরিক্ত সচিব                                                           ১

যুগ্ম সচিব                                                        ৬

প্রধান শিল্প উপদেষ্টা                                        ১

(অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব)

১১১ কমিশনার(ক্ষুদ্র শিল্পের) উন্নয়ন

এবং অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব                                        ১

টেক্সটাইল কমিশনার এবং

অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব                                     ১

চেয়ারম্যান (বাংলাদেশ তাত বোর্ড)

এবং অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব                           ১

চেয়ারম্যান (চা বোর্ড)                                                   ১

উপ সচিব                                                        ১৩

ভারপ্রাপ্ত সচিব                                                 ২৬

সেকশন অফিসার                                                        ৭৮

 

সংযুক্ত কার্যালয়

শিল্প এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত কার্যালয়ের একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচে দেয়া হল।

১ প্রধান নিয়ন্ত্রক আমদানি এবং রপ্তানী এর কার্যালয় ,ঢাকা।এই কার্যালয় যা প্রধান নিয়ন্ত্রক রপ্তানী এবং আমদানির অধীনে রয়েছে সেটি প্রাথমিক ভাবে বাংলাদেশ সরকারে রপ্তানি এবং আমদানী  সংক্রান্ত বিভিন্ন নীতিমালা বাস্তবায়নের বিষয় দেখভাল করবে।এই কার্যালয়ের শাখা থাকবে চট্রগ্রাম,খুলনা,রাজশাহী এবং ঢাকাতে।

২ বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক উপদেষ্টার কার্যালয়।বাংলাদেশ সরকারে অর্থনৈতিক উপদেষ্টা,সহযোগিতা প্রাপ্ত হবে তার কর্মচারী,মন্ত্রণলয়ের পারিশ্রমিক প্রদান সংক্রান্ত উপদেষ্টা,অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত সকলে।সে বৈদেশিক ব্যাবসা এবং বানিজ্য সংক্রান্ত অধ্যায়ন এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক উপাত্ত অনুবাদ এবং তথ্য সংগ্রহ করবে।

বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক উপদেষ্টা অর্থনীতির সকল বিষয় মন্ত্রনালয়কে অবহিত করেন। তিনি বৈদেশিক বানিজ্য সহ দেশের সকল অর্থনৈতিক তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহ এবং যাচাই বাচাই করেন। এছাড়া দেশের মূল্যসুচকের সমন্বয় সাধন, মূল্য নির্ধারণ, শুল্কের প্রভাব, কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক বানিজ্য সহ সকল অর্থনৈতিক বিষয়ে মন্ত্রনালয়কে পরামর্শ দান করেন।

(৩) ঢাকার উন্নয়ন সংস্থাঃ

এই সংস্থা প্রধান কাজ হচ্ছে বস্ত্র এবং চিনি শিল্প বাদে বাকি সব বৃহৎ ও মাঝারি শিল্পের পরিকল্পনা ও উন্নয়নের প্রতিবন্ধকতা নিয়ে আলোচনা করা। দেশের শিল্পখাতের উন্নয়নের ক্ষেত্রে পরিকল্পনা, নিয়ন্ত্রন ও পরিচালনা করার প্রধান দায়িত্ব এই সংস্থার। এই সংস্থার প্রধান কাজগুলোকে নিম্নোক্তভাবে ভাগ করা হয়…

 

১) শিল্পখাতের উন্নয়ন এবং পরিকল্পনা সুষম ও যথাযথ রাখতে যে পদক্ষেপগুলো নেয়া হয়েছে,

(ক) দেশের চাহিদা মোতাবেক পণ্য সরবরাহ এবং উৎপাদন বৃদ্ধি নিশ্চিত করা,

(খ) দেশের নানামুখী চাহিদার কথা বিবেচনা করে উৎপাদনে বৈচিত্রতা আনয়ন করা,

(গ) পণ্য্যের গুণগত মান ঠিক রেখে সর্বোচ্চ কম মুল্যে সরবরাহ নিশ্চিত করা,

(ঘ) প্রয়োজনে বৈদেশিক দাতা সংস্থা গুলো থেকে সুযোগ সুবিধা নেয়া।

 

২) পুরাতন শিল্পকারখনা পরিবর্ধন এবং নতুন কারখানা তৈরির জন্য আবেদনগুলো যাচাই বাচাই করা।

৩) শিল্প উন্নয়ন ব্যাংক এবং সরকারের নিকট থেকে ঋণ চাওয়া ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে খোঁজ খবর নেয়া,

৪) শিল্পকারখানা গুলোতে কাঁচামাল যেমন ষ্টীল, সিমেন্ট, তেল, বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং পরিবহন সুবিধার ক্ষেত্রে সাহায্য করা।

৫) আরো যেসব সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে…

(ক) ষাণ্মাসিক আমদানি ও রপ্তানি সুবিধা প্রণয়ন,

(খ) কাঁচামাল পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে আবেদনকারীদের লাইসেন্স মঞ্জুর,

(গ) বিভিন্ন শিল্প ইউনিটে লোহা ও ইস্পাত বরাদ্দ,

(ঘ) কর্মীদের প্রশিক্ষণ,

৬) সমস্যা:

(ক) যন্ত্রপাতি আমদানি ও রপ্তানির জন্য লাইসেন্স

(খ) বৈজ্ঞানিক সরঞ্জাম এবং যন্ত্রপাতি যা বাংলাদেশে উত্পাদিত হয়না সেগুলোর উপর শুল্ক প্রদান থেকে অব্যাহতি দান।

৭) দোকানে সরবরাহের জন্য কাঁচামাল বিদেশ থেকে আমদানি করা।

 

৮) সংগ্রহ ও প্রতিষ্ঠাপিত ক্ষমতা সংক্রান্ত শিল্প তথ্য সংকলন,

প্রকৃত উৎপাদন, কর্মসংস্থান অবস্থান, স্টক, মূল্য ইত্যাদি।

৯) যেমন ইস্পাত খনি, জ্বালানির, অর্থ হিসাবে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের কারিগরি সহায়তা,

শিক্ষা, পরিকল্পনা কমিশন, ইত্যাদি, এবং

২) আমদানি ও রপ্তানি বিষয়ক ডেপুটি চিফ কন্ট্রোলার

আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের সহায়তা করা তার

দায়িত্ব।

৩) চেয়ারম্যান, ট্যারিফ কমিশন, চট্টগ্রাম অফিস

 

ট্যারিফ কমিশন একজন চেয়ারম্যান ও তিন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হবে। এটি

সংবিধিবদ্ধ এবং ব্যাপক ক্ষমতার অধিকারী। শিল্প সুরক্ষার সব ক্ষেত্রেই পরীক্ষা করা এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য। শুধু উৎপাদন ব্যবস্থার শুরুই নয় এর সঠিক সুরক্ষা দান করার জন্যই তাদের উক্ত ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। এছাড়াও কৃষি মঞ্জুরির প্রশ্ন বিবেচনা করার ক্ষমতাও দেয়া হয়েছে।

শিল্প. কমিশন উভয় বিষয়ে ব্যাপক বিচক্ষণতার সহিত কাজ করবেন এবং শুল্ক স্থায়ীকরণ সংক্রান্ত নীতি,

সংরক্ষিত শিল্পের নীতি উভয় বিষয়ে কমিশনকে সিদ্ধান্ত নিতে স্বাধীনতা দেওয়া হতে পারে।

প্রতিটি শিল্প প্রয়োজন অনুযায়ী সুরক্ষার সময়কালও নির্ধারণ করবেন কমিশন।

 

৪) বাণিজ্য রেজিস্ট্রারের অফিসে.

এই অফিসে একজন রেজিস্ট্রার থাকবেন যিনি তার কর্মকর্তা দ্বারা পরিচালিত হবেন। তার প্রধান কাজ সমূহঃ

ক) দায়ের দরখাস্ত যাচাই-বাছাই শেষে ট্রেড বাণিজ্য নিবন্ধনের রেজিস্ট্রেশন করা।

খ) সব রেজিস্টার্ড ট্রেডমার্ক একটি রেজিস্টার রক্ষণাবেক্ষণ করবেন ও সব রেকর্ডিং

এক্ষেত্রে পরবর্তী এন্ট্রি ট্রেডমার্ক মালিকানা পরিবর্তন করবেন,

বরাদ্দ করবেন, ইত্যাদি

গ) এ সংক্রান্ত যাবতীয় বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারকে পরামর্শ দিবেন।

৫) শত্রুদের সম্পত্তি জমাদারের অফিসঃ

এই প্রতিষ্ঠানের দায় দায়িত্ব প্রশাসনের এবং শত্রুদের চিনহিত করে তাদের সকল সম্পত্তি নিষ্পতি করে জমাদারের কাছে থাকবে। কারণ প্রত্যেক ব্যক্তিই আবার তার সম্পত্তি ফিরে যেতে চান। এ কারণে দেশে উদ্বেগ পূর্বক যুধ্যমান ক্ষমতা দখল করে. জিম্মাদার রেজিস্ট্রেশন করবেন এবং বাঙালিদের দাবির প্রেক্ষিতে শত্রুদের সম্পত্তি দখল করবেন।

৬) মহা-পরিচালক, বাণিজ্যিক গোয়েন্দা ও পরিসংখ্যান, ঢাকা অফিস.

মহা-পরিচালক, যিনি এই অফিস প্রধান। তিনি বিভিন্ন ধরণের বাণিজ্য ও শিপিং পরিসংখ্যান প্রকাশের এবং বাণিজ্যিক কাজ করবেন।

৭) বিশেষ অধিকার এবং নকশা পরিকল্পনা অফিস, ঢাকা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়।

তার প্রধান কাজ আছে:

(ক) প্রতিটি পেটেন্ট পরীক্ষার পর উদ্ভাবন পেটেন্ট মঞ্জুর করা।

(খ) শিল্প নকশা রেজিসটার করা।

(গ) পেটেন্ট সংক্রান্ত একটি বার্ষিক প্রকাশনার প্রকাশ করা এবং

(ঘ) সংশ্লিষ্ট কারিগরি বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের পরামর্শ নেয়া।

 

৮) কীটপতঙ্গ গবেষণা কেন্দ্র, রাজশাহী।

 

এটা রেশম পোকার নানা শাখায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও গবেষণা পরিচালনা করবে।

 

     রাষ্ট্রের দায়িত্ব

 

১) জাতীয় ক্ষুদ্র শিল্প কর্পোরেশন

 

২) রাষ্ট্র ট্রেডিং কর্পোরেশন

বিশেষ রপ্তানি এবং প্রধান পণ্যদ্রব্য আমদানি বহির্বাণিজ্য। যেমনঃ

তুলা, লোহা ও ইস্পাত পণ্য, কয়লা, খাদ্যশস্য, সিমেন্ট এবং সার। একটি আইন করে রাষ্ট্র ট্রেডিং কর্পোরেশন গঠন করা হবে।

 

৩) বাংলাদেশ শিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন।

 

৪) বাংলাদেশ কুটির শিল্প করপোরেশন।

বোর্ড

 

১) বাংলাদেশ চা বোর্ড

২) বাংলাদেশ তুলা বোর্ড

৩) ছোবড়া বোর্ড

৪) সিল্ক বোর্ড

 

(৭) শিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা-মন্ত্রণালয়

শিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণা মন্ত্রণালয় নিম্নলিখিত সমন্বয়ে গঠিত হইবে

বিভাগ:

(১) শিক্ষা অধিদপ্তর

(২) সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড ও শারীরিক শিক্ষা বিভাগ।

(৩) বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর।

 

 

পরিকল্পনা : ইয়াসীন হীরা

গ্রন্থনা : সৈয়দ গোলাম নবী

সম্পাদনায় : আবির হাসান

 

Print Friendly and PDF

আরো সংবাদ

আর্কাইভ
May 2020
F S S M T W T
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30