শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০

ব্রেকিং নিউজ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পর্ব : ২০১


২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১:৩৩ : অপরাহ্ণ

সেনাবাহিনী সদরদপ্তর সরাসরি সেনাবাহিনী প্রধানের নিয়ন্ত্রণে থাকবে

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি নিধনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ঢাকায় অসংখ্য নিরীহ সাধারণ বাঙালি নাগরিক, ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, পুলিশকে হত্যা করে। ওই রাতেই গ্রেপ্তার করা হয় ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রাপ্ত দল আওয়ামী লীগ প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। পরিকল্পিত গণহত্যার মুখে সারাদেশে শুরু হয় প্রতিরোধ যুদ্ধ। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর), ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ এবং সর্বোপরি বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী সাধারণ মানুষ গড়ে তোলে মুক্তিবাহিনী। গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ চালিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে। ডিসেম্বরের শুরুর দিকে যখন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর পতন অনিবার্য হয়ে ওঠে। মুক্তিবাহিনীর কাছে পরাজয়ের লজ্জা এড়াতে স্বাধীনতা যুদ্ধকে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ৩ ডিসেম্বর ভারতে বিমান হামলার মাধ্যমে যুদ্ধে লিপ্ত হয় পাক বাহিনী। মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সম্মিলিত আক্রমণের মুখে পর্যদুস্ত ও হতোদ্যম পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী যুদ্ধ বিরতির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। কিন্তু ১৬ ডিসেম্বর কোন ঘোষণা ছাড়াই ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তান ৯৩,০০০ হাজার সৈন্যসহ যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে আত্মসমর্পণের দলিলে সই করে। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ হিসাবে পৃথিবীর মানচিত্রে আত্মপ্রকাশ করে। স্বাধীনতার সেই প্রেক্ষাপট বর্তমান প্রজন্মের কাছে অজানা। নতুন প্রজন্মের কাছে  স্বাধীনতার সঠিক  ইতিহাস তুলে ধরতেই বাংলাদেশ নিউজ এজেন্সি (বিএনএ) বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধ দলিলপত্র (১-১৫ খণ্ড) এর ভিত্তিতে ধারাবাহিক ভাবে প্রচার করছে ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ।

আজ প্রচারিত হলো  পর্ব : ২০১

সামরিক/প্রতিরক্ষা উৎপাদন শাখা

প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে চেয়ারম্যান করে, এবং প্রতিরক্ষা  উৎপাদনের কন্ট্রোলার জেনারেলকে বিভাগীয় প্রধান করে সেখানে একটি সামরিক উৎপাদন বোর্ড থাকবে। বোর্ডের বাকি সদস্যরা বাংলাদেশ সরকারের তিনটি সেবার জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি হবে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি, ডিরেক্টর-জেনারেল, তোপ কারখানা, বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা। সামরিকউৎপাদনের সাথে সম্পর্কিত রাষ্ট্রীয় সেবা গবেষণা সমন্বয়, উন্নয়ন, এবং ক্রিয়াকলাপ পরিকল্পনা বোর্ডের প্রধান কাজ।

সামরিক  উৎপাদনের কন্ট্রোলার জেনারেল

সামরিক উৎপাদন বোর্ডের প্রধান নির্বাহী এবং সংগঠনের বিভাগীয়  প্রধানই  সামরিক  উৎপাদনের  কন্ট্রোলার জেনারেল এবং সমন্বয় এবং সামরিক উৎপাদন এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং উৎপাদন প্রভাব পরিচালনা তার সামগ্রিক দায়িত্ব। সেনাবাহিনীর প্রযুক্তিগত উন্নয়নও তার অধীনে আসবে।

সেনাবাহিনী  সদরদপ্তর

সেনাবাহিনী সদরদপ্তর সরাসরি সেনাবাহিনী প্রধানের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এটি নিম্নলিখিত প্রধান শাখায় বিভক্ত হতে পারে যা পুনরায় অধিদপ্তরে বিভক্ত হবে (১) সাধারণ কর্মচারী শাখা। উক্ত শাখা, সাধারণ কর্মচারী প্রধানের অধীনে, সেনাবাহিনীর নীতি, সেনাবাহিনী কার্যক্রম, গোয়েন্দা, সেনাবাহিনী প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা, সংগঠন এবং সেনাবাহিনীর আন্তঃযোগাযোগ সেবা এবং নতুন অস্ত্র ও যন্ত্রপাতির পরীক্ষণের সাথে সম্পর্কিত প্রাসঙ্গিক বিষয় কারবার করবে।, (২) অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল শাখা। লোকবল সংগ্রহ এবং সংগঠনের সাথে সম্পর্কিত বিষয়ের জন্য উক্ত শাখা দায়ী থাকবে; অবকাশ, উৎপাদনের সংক্রান্ত সাধারণ নীতি

২ এডজুনেন্ট জেনারেল’স ব্র্যাঞ্চ।এই শাখা জনশক্তি,নিয়োগ এবং সংস্থা,ছুটি সংক্রান্ত সাধারন নীতিমালা,উতপাদন,বর্ননামূলক,বেতন-ভাতা এবং অবসরকালীন ভাতা,সাধারন কল্যানভাতা,মনোবল,স্বাস্থ্য,সামরিক আইন এবং সেনাবাহিনীর সকল সদস্যের জন্য বেতনভাতার জন্য বাজেট বরাদ্দ ইত্যাদি সংক্রান্ত বিষয়ের দায়িত্বে থাকবে।

৩ কোয়াটার মাস্টার জেনারেল’স ব্র্যাঞ্চ।এই শাখা সকল কর্মচারীর চলাচল,গুদাম,সাজসরঞ্জাম বিধান,খাদ্য সামগ্রী এবং গুদামজাতকরন সংক্রান্ত বিষয় এবং তদন্ত,কর্ম পরিকল্পনা,সেনাবাহিনী এবং এই সংক্রান্ত বিষয়ের জন্য আবাসস্থল,সামরিক ফার্মের জন্য প্রশাসনিক ভবন,নতুন করে ঘোড়া সরবারহ করা এবং পশু চিকিৎসা সেবা,সেনাবাহিনী ডাক এবং ক্যান্টিন সেবা,অগ্নিনির্বাপন সেবা,এম ই এস কাজের বিলের জন্য প্রজুক্তিগত পরীক্ষা এবন কিউ সাধারন নাগরিকদের জন্য প্রশাসনিক সেবা সংক্রান্ত বিষয়ের দায়িত্বে থাকবে।

মাষ্টার জেনারেল অফ অর্ডিনেন্স ব্র্যাঞ্চ।এটি দেখভাল করবে বিধান,গুদাম,মেরামত, রক্ষনাবেক্ষন এবং গোলা সংরক্ষনের বিষয় সংক্রান্ত এবং এম টি যানবাহনের উপকরন,যুদ্ধোপকরন এবং গুলি,সিগনাল সংক্রান্ত সাজসরঞ্জাম,সেনাবাহিনীর সকলের জন্য একটি দোকান এবং বস্ত্র সংক্রান্ত বিষয়।

৫ প্রধান প্রকৌশলীর শাখা।এটির দায়িত্বে থাকবে

ক. নকশা,সকল আবাসস্থল নির্মাণ এবং রক্ষনাবেক্ষণ ও এয়ারফিল্ডের ডক নির্মাণ,সামরিক রাস্তা,পানি সরারবহ বিদ্যুত এবং আলো সরবরাহ, রেফ্রিজারেশন এবং আসবাবপত্র সহ তিনটি সেবার জন্য কাজ করবে।

খ ইঞ্জিনিয়ার ইউনিট স্থাপন যাতায়াত ব্যাবস্থা সহ,বোমা নিস্ক্রিয় এবং মাইন নিস্ক্রিয় ইউনিট,তাদের প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ,সংস্থা,প্রশাসনিক ব্যাবস্থা : অপরাশেনাল পরিকল্পনা এবং গোয়েন্দাবৃত্তি।

গ গবেষনা,নকশা এবং প্রকৌশল উপকরণ  এর জন্য উন্নয়ন, প্রকৌশল প্ল্যান্ট,বিস্ফোরক ধ্বংসকরন,এম ই এস সহ মাইন ডিটেকশন উপকরন সংগ্রহ।

ঘ আহরণ ,অধিষ্ঠিত এবং প্রকৌশল ভান্ডার বিতরন(পরিবহন ভান্ডার সহ).
এম ই এস কর্মচারীদের এবং ইঞ্জিনিয়ার কোরের প্রশাসনিক ব্যাবস্থা

৬ সামরিক সচিবের শাখা।

এটির দায়িত্ব হবে সেনাবাহিনীতে কমিশন প্রদান,পোস্টিং,বদলি,পদন্নতির ছাড়পত্র,অবসর,পদত্যাগ,সেনাবাহিনীর সমস্ত নন মেডিকেল অফিসারদের বাতিলকর।এটি রক্ষনাবেক্ষন করবে গোপন প্রতিবেদন এবং সেনাবাহিনীর সমস্ত নন মেডিকেল অফিসারদের ব্যাক্তিগত রেকর্ড সংরক্ষন এবং অফিসারদের উচ্চ পদে পদন্নতির সুপারিশের জন্য সচিবালয়কে সরবরাহ করা।এই শাখা আরো প্রদান করবে সম্মান এবং সাধাসামরিক/প্রতিরক্ষাউৎপাদন শাখা প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে চেয়ারম্যান করে, এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের কন্ট্রোলার জেনারেলকে বিভাগীয় প্রধান করে সেখানে একটি সামরিক উৎপাদন বোর্ড থাকবে। বোর্ডের বাকি সদস্যরা বাংলাদেশ সরকারের তিনটি সেবার জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি হবে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি, ডিরেক্টর-জেনারেল, তোপ কারখানা, বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা। সামরিকউৎপাদনের সাথে সম্পর্কিত রাষ্ট্রীয় সেবা গবেষণা সমন্বয়, উন্নয়ন, এবং ক্রিয়াকলাপ পরিকল্পনা বোর্ডের প্রধান কাজ।

সামরিকউৎপাদনের কন্ট্রোলার জেনারেল

সামরিকউৎপাদন বোর্ডের প্রধান নির্বাহী এবং সংগঠনের বিভাগীয় প্রধানই সামরিকউৎপাদনের কন্ট্রোলার জেনারেল এবং সমন্বয় এবং সামরিকউৎপাদন এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং উৎপাদন প্রভাব পরিচালনা তার সামগ্রিক দায়িত্ব। সেনাবাহিনীর প্রযুক্তিগত উন্নয়নও তার অধীনে আসবে।

সেনাবাহিনী সদরদপ্তর

সেনাবাহিনী সদরদপ্তর সরাসরি সেনাবাহিনী প্রধানের নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এটি নিম্নলিখিত প্রধান শাখায় বিভক্ত হতে পারে যা পুনরায় অধিদপ্তরে বিভক্ত হবে: (১) সাধারণ কর্মচারী শাখা। উক্ত শাখা, সাধারণ কর্মচারী প্রধানের অধীনে, সেনাবাহিনীর নীতি, সেনাবাহিনী কার্যক্রম, গোয়েন্দা, সেনাবাহিনী প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা, সংগঠন এবং সেনাবাহিনীর আন্তঃযোগাযোগ সেবা এবং নতুন অস্ত্র ও যন্ত্রপাতির পরীক্ষণের সাথে সম্পর্কিত প্রাসঙ্গিক বিষয় কারবার করবে।, (২)অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল শাখা। লোকবল সংগ্রহ এবং সংগঠনের সাথে সম্পর্কিত বিষয়ের জন্য উক্ত শাখা দায়ী থাকবে; অবকাশ, উৎপাদনের সংক্রান্ত সাধারণ নীতি

২ এডজুনেন্ট জেনারেল’স ব্র্যাঞ্চ।

এই শাখা জনশক্তি,নিয়োগ এবং সংস্থা,ছুটি সংক্রান্ত সাধারন নীতিমালা,উতপাদন,বর্ননামূলক,বেতন-ভাতা এবং অবসরকালীন ভাতা,সাধারণ কল্যানভাতা,মনোবল,স্বাস্থ্য,সামরিক আইন এবং সেনাবাহিনীর সকল সদস্যের জন্য বেতনভাতার জন্য বাজেট বরাদ্দ ইত্যাদি সংক্রান্ত বিষয়ের দায়িত্বে থাকবে।

৩ কোয়াটার মাস্টার জেনারেল’স ব্র্যাঞ্চ।

এই শাখা সকল কর্মচারীর চলাচল,গুদাম,সাজসরঞ্জাম বিধান,খাদ্য সামগ্রী এবং গুদামজাতকরন সংক্রান্ত বিষয় এবং তদন্ত,কর্ম পরিকল্পনা,সেনাবাহিনী এবং এই সংক্রান্ত বিষয়ের জন্য আবাসস্থল,সামরিক ফার্মের জন্য প্রশাসনিক ভবন,নতুন করে ঘোড়া সরবারহ করা এবং পশু চিকিৎসা সেবা,সেনাবাহিনী ডাক এবং ক্যান্টিন সেবা,অগ্নিনির্বাপন সেবা,এম ই এস কাজের বিলের জন্য প্রজুক্তিগত পরীক্ষা এবন কিউ সাধারন নাগরিকদের জন্য প্রশাসনিক সেবা সংক্রান্ত বিষয়ের দায়িত্বে থাকবে।

৪ মাষ্টার জেনারেল অফ অর্ডিনেন্স ব্র্যাঞ্চ।

এটি দেখভাল করবে বিধান,গুদাম,মেরামত, রক্ষনাবেক্ষন এবং গোলা সংরক্ষনের বিষয় সংক্রান্ত এবং এম টি যানবাহনের উপকরন,যুদ্ধোপকরন এবং গুলি,সিগনাল সংক্রান্ত সাজসরঞ্জাম,সেনাবাহিনীর সকলের জন্য একটি দোকান এবং বস্ত্র সংক্রান্ত বিষয়।

৫ প্রধান প্রকৌশলীর শাখা।এটির দায়িত্বে থাকবে

ক. নকশা,সকল আবাসস্থল নির্মান এবং রক্ষনাবেক্ষন ও এয়ারফিল্ডের ডক নির্মান,সামরিক রাস্তা,পানি  সরারবহ ,বিদ্যুত এবং আলো সরবরাহ, রেফ্রিজারেশন এবং আসবাবপত্র সহ তিনটি সেবার জন্য কাজ করবে।

খ ইঞ্জিনিয়ার ইউনিট স্থাপন যাতায়াত ব্যাবস্থা সহ,বোমা নিস্ক্রিয় এবং মাইন নিস্ক্রিয় ইউনিট,তাদের প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ,সংস্থা,প্রশাসনিক ব্যবস্থা  অপরাশেনাল পরিকল্পনা এবং গোয়েন্দাবৃত্তি।
গ গবেষণব     ,নকশা এবং প্রকৌশল উপকরন এর জন্য উন্নয়ন, প্রকৌশল প্ল্যান্ট,বিস্ফোরক ধ্বংসকরন,এম ই এস সহ মাইন ডিটেকশন উপকরন সংগ্রহ।

ঘ আহারন,অধিষ্ঠিত এবং প্রকৌশল ভান্ডার বিতরন(পরিবহন ভান্ডার সহ).
এম ই এস কর্মচারীদের এবং ইঞ্জিনিয়ার কোরের প্রশাসনিক ব্যাবস্থা

৬ সামরিক সচিবের শাখা।

এটির দায়িত্ব হবে সেনাবাহিনীতে কমিশন প্রদান,পোস্টিং,বদলি,পদন্নতির ছাড়পত্র,অবসর,পদত্যাগ,সেনাবাহিনীর সমস্ত নন মেডিকেল অফিসারদের বাতিলকর।এটি রক্ষনাবেক্ষন করবে গোপন প্রতিবেদন এবং সেনাবাহিনীর সমস্ত নন মেডিকেল অফিসারদের ব্যাক্তিগত রেকর্ড সংরক্ষন এবং অফিসারদের উচ্চ পদে পদোন্নতির সুপারিশের জন্য সচিবালয়কে সরবরাহ করা।এই শাখা আরো প্রদান করবে সম্মান এবং সাধারণ নাগরিকদের থেকে সেনাবাহিনীকে পুরস্কার প্রদান।

আদেশ এবং অঞ্চলঃ
সেনা সদর দপ্তরের অধীনে,সেনাবাহিনী তার কমান্ডের অধীনে সংগঠিত হচ্ছে,লেঃ জেনারেল পদমর্যাদার প্রত্যেকে একজন জি ও সি এর দায়িত্বপালন করবে।কমান্ড এরিয়া ভিত্তিক ভাগ হবে,একজন জি ও সি এর কমান্ডের অধিনে প্রত্যেক মেজর জেনারেল পদমর্যাদার এবং তাদের এরিয়া ভাগ হয়ে যাবে প্রত্যেক বিগ্রেডিয়ারের অধীনে সাব এরিয়াতে। এটি একটি অপরিবর্তনীয় সৈন্যবিন্যাস,কার্যক্রম  পরিচালনারকারী সকল সংগঠন কমাণ্ড,এড়িয়া,সাব-এরিয়া আর্মি,ডিভিশন এবং ব্রিগেডের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে। একটি সক্রিয় প্রতিষ্ঠানের গঠন অনুযায়ী সেনা সদরদপ্তর নিয়ন্ত্রণ ও আদেশ দিয়ে থাকে দুই বা ততোধিক ডিভিশনকে।নাগরিকদের থেকে সেনাবাহিনীকে পুরস্কার প্রদান।
আদেশ এবং অঞ্চলঃ
সেনা সদর দপ্তরের অধীনে,সেনাবাহিনী তার কমান্ডের অধীনে সংগঠিত হচ্ছে,লে. জেনারেল পদমর্যাদার প্রত্যেকে একজন জি ও সি এর দায়িত্বপালন করবে।কমান্ড এরিয়া ভিত্তিক ভাগ হবে,একজন জি ও সি এর কমান্ডের অধিনে প্রত্যেক মেজর জেনারেল পদমর্যাদার এবং তাদের এরিয়া ভাগ হয়ে যাবে প্রত্যেক বিগ্রেডিয়ারের অধীনে সাব এরিয়াতে।এটি একটি অপরিবর্তনীয় সৈন্যবিন্যাস,কার্যক্রম পরিচালনাকারী সকল সংগঠন কমান্ড,এরিয়া,সাব-এরিয়া  আর্মি,ডিভিশন  এবং  ব্রিগেডের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে।একটি সক্রিয় প্রতিষ্ঠানের গঠন অনুযায়ী সেনাসদর দপ্তর নিয়ন্ত্রণ ও আদেশ দিয়ে থাকে দুই বা ততোধিক  ডিভিশনকে।

পরিকল্পনা : ইয়াসীন হীরা

গ্রন্থনা : সৈয়দ গোলাম নবী

সম্পাদনায় : আবির হাসান

Print Friendly and PDF

আরো সংবাদ

আর্কাইভ
May 2020
F S S M T W T
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30