বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২০

ব্রেকিং নিউজ

‘সুপার সাইক্লোন’-এর মতোই আসছে আম্ফান


১৯ মে, ২০২০ ১২:৩৯ : পূর্বাহ্ণ

বিএনএ, ঢাকা:  ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’- বুধবার রাতে বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে পারে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের কাছে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

আপডেট, সোমবার(১৮ মে) রাত ১২:২৭ :
ভারতীয় আবহাওয়াবিদরা বলছেন, শক্তিশালী থেকে অতি শক্তিশালী হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় আমপান। এ রাজ্যের দিঘা থেকে বাংলাদেশের হাতিয়া দ্বীপের মধ্যবর্তী কোনও এলাকায় আমপান আছড়ে পড়তে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আমপানের শক্তি কয়েকগুণ বাড়বে। আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, আম্ফান ‘সুপার সাইক্লোন স্টর্ম’-এর চেহারা নেবে। এই অতি শক্তিশালী ঘূ্র্ণিঝড়ের ঘূর্ণনের গতিবেগ হতে পারে সর্বোচ্চ ১৮০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা।

মোংলা ও পায়রাকে ৭, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৬ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আপডেট সময়:রাত ১২:০০ বিএসটি।

https://www.windy.com/?16.678,96.855,4

ভারতের আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপরে অবস্থান করছে আমপান। এর অভিমুখ রয়েছে উত্তর দিকে।  কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাঁক নিয়ে তা উত্তর-পূর্ব দিকে এগোতে শুরু করবে। এখন আমপান পারাদ্বীপ থেকে ৭৮০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। দিঘা থেকে এর দূরত্ব ৯৩০ কিলোমিটার, বাংলাদেশের খেপুপাড়া থাকে ১০৫০ কিমি। বুধবার দুপুরে প্রায় ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা ঘূর্ণনের গতিবেগে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।  এমনকি, এর ঘূর্ণনের গতি উঠতে পারে ১৮৫ কিলোমিটারের আশপাশে। এমন গতিতে যদি এ রাজ্যের উপরে স্থলভাগে আছড়ে পড়ে আমপান, তা হলে ভয়ঙ্কর ভাবে ক্ষতির সম্ভাবনাও থাকছে।

আপডেট সময়:রাত ১০:৩৮ বিএসটি।

 বাংলাদেশ আবহাওয়ার বিশেষ বিজ্ঞপ্তি ক্রমিক নম্বর ২০ (বিশ), তারিখ: ১৮.০৫.২০২০
পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুপার সাইক্লোন ’আম্ফান’ উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে একই এলাকায় (১৪.৮ক্ক উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৬.৪ক্ক পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে। এটি আজ (১৮ মে ২০২০) রাত ০৯ চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১০২০ কিঃ মিঃ দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৯৬০ কিঃ মিঃ দক্ষিণপশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৯২০ কিঃ মিঃ দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৯১০ কিঃ মিঃ দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর হতে পারে এবং পরবর্তীতে দিক পরিবর্তন করে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী
অঞ্চল দিয়ে  ১৯ মে ২০২০ শেষরাত হতে ২০ মে ২০২০ বিকাল/সন্ধ্যার মধ্যে বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

সুপার সাইক্লোন কেন্দ্রের ৯০ কিঃ মিঃ এর মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘন্টায় ২২৫ কিঃ মিঃ যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ২৪৫ কিঃ মিঃ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সুপার ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটে সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ০৭ (সাত) নম্বর পুনঃ ০৭ (সাত) নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ০৭ নম্বর বিপদ সংকেত (পুনঃ) ০৭ নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।
চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ০৬ (ছয়) নম্বর পুনঃ ০৬ (ছয়) নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
উপকূলীয় জেলা নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ ০৬ (ছয়) নম্বর পুনঃ ০৬ (ছয়) নম্বর বিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে।
ঘূর্ণিঝড় এবং অমাবস্যার প্রভাবে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা,পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহের নিম্নাঞ্চল স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট অধিক উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসে প্লাবিত হতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় অতিক্রমকালে সাতক্ষীরা, খুলনা, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী, চট্টগ্রাম জেলা সমূহ এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণসহ ঘন্টায় ১৪০-১৬০ কিঃ মিঃ বেগে দম্কা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে অতিসত্ত্বর নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বলা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে।

বিএনএ/এসজিএন

Print Friendly and PDF

ট্যাগ :

আম্ফান

আরো সংবাদ

আর্কাইভ
May 2020
F S S M T W T
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
30