ব্রেকিং নিউজ

চীনের ২৮ সংস্থা কালো তালিকাভুক্ত


৯ অক্টোবর, ২০১৯ ২:৫৫ : অপরাহ্ণ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চীনের ২৮ টি  সরকারি ও বাণিজ্যিক সংস্থার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করে কালো তালিকাভুক্ত করেছে। এ সব সংস্থা জিনজিয়াং এর  সংখ্যালঘু  উইগুর মুসলমানদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনে সহায়তা করে আসছে চীন সরকারকে।

জিনজিয়াং প্রদেশে মুসলিমদের উপর চীনের অমানবিক আচরণ, কড়া নজরদারি, তাদের  স্বাভাবিক জীবন  যাপনের উপর নিয়ন্ত্রণ , ধর্মীয় অনুশাসন পালনে নিষেধাজ্ঞা, উপরন্তু গণডিটেনশনের মতো আচরণ এর বিরুদ্ধে ২৮টি সংস্থাকে  কালো তালিকাভুক্ত করলো ট্রাম্প প্রশাসন। ওয়াশিংটনের অনুমোদন ছাড়া ওই সংস্থাগুলি আমেরিকার কাছ থেকে পণ্য, পরিষেবা বা প্রযুক্তি কিনতে পারবে না।

সোমবার প্রকাশিত মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের একটি নথিতে বলা হয়েছে, ওই এলাকায় ‘মানবাধিকার লঙ্ঘন ও অত্যাচার’ চালায় ওই সংস্থাগুলি। সেই কারণেই এই ২৮টি সংস্থাকে ‘এনটিটি লিস্ট’ বা কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর অর্থ, ওয়াশিংটনের অনুমতি ছাড়া মার্কিন কোনও সংস্থার কাছ থেকে এই চীনা সংস্থাগুলি কিছু কিনতে পারবে না।

ওই নথিতে আরও বলা হয়েছে, এই সংগঠনগুলি চিনের দমন-পীড়ন নীতি, গণ ডিটেনশন এবং উইঘুর, কাজাকস্তানের মতো মুসলিম সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর উপর নজরদারিতে চিন সরকারকে সাহায্য করে। কালো তালিকাভুক্ত সংস্থাগুলির মধ্যে ১৯টিই চিনের সরকারি সংস্থা। জিনজিয়াং প্রদেশের পাবলিক সার্ভিস ব্যুরো তার মধ্যে অন্যতম। বেসরকারি সংস্থার মধ্যে রয়েছে হিকভিশন, দাহুয়া টেকনোলজি, মেগভি টেকনোলজির মতো সংস্থা, যারা মূলত মুখাবয়ব থেকে ব্যক্তি চিহ্নিতকরণের কাজ করে। হিকভিশন বিশ্বের অন্যতম বড় নজরদারি প্রযুক্তি ও পণ্য প্রস্তুতকারী সংস্থা।

চিনের জিনজিয়াং প্রদেশের ৪৫ শতাংশ জনসংখ্যাই উইঘুর এবং তুর্কিভাষী মুসলিম। শি জিনফিং সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের অভিযোগ, ওই সম্প্রদায়ের জনগোষ্ঠীকে কার্যত ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা হয়েছে। এ নিয়ে আমেরিকা-সহ প্রায় গোটা বিশ্বই সরব। রাষ্ট্রপুঞ্জেও এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রায় একই অভিযোগ একাধিক মানবাধিকার সংগঠনেরও। চীন সরকার অবশ্য ডিটেনশন ক্যাম্পকে উগ্রবাদী পন্থা রুখতে ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টার নামকরণ করেছে ।
সম্পাদনায় : আবির হাসান,এহক।

আরো সংবাদ

আর্কাইভ
অক্টোবর ২০১৯
শুক্র শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ
« সেপ্টেম্বর    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১