শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ব্রেকিং নিউজ

ফাহাদ হত্যাকারীদের ছাড় নেই-প্রধানমন্ত্রী


৯ অক্টোবর, ২০১৯ ৫:২৯ : অপরাহ্ণ

গ্যাস চলে যাচ্ছে বলে যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে, তারাই গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়েই ২০০১ সালে ক্ষমতায় গিয়েছিলো বলে অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৫০ বছরের গ্যাস মজুদ রেখেই কেবল গ্যাস রফতানি করা হবে বলেও জানান তিনি।

বুধবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে গণভবনে নিউইয়র্ক ও ভারত সফর নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের কোন স্বার্থ শেখ হাসিনা বিক্রি  করবে, তা কোনদিনই হবে না। বরং যেসব সমস্যা ছিল, সেগুলো একেকটা করে সমাধান করা হয়েছে। তরল গ্যাস প্রক্রিয়াজাত করে এলপি গ্যাস বানিয়ে দেশের চাহিদা মিটিয়েই তা রফতানি করা হবে। আমদানিকৃত গ্যাস ভারতকে দিলে এতে বাংলাদেশেরই লাভ হবে। বিভিন্ন দেশ এমনভাবে গ্যাস আমদানি করে প্রক্রিয়াজাত করে আবার রফতানি করে আসছে। বাংলাদেশ বিদেশ থেকে গ্যাস আমদানি করে ভারতে রফতানি করবে। আর আমদানিকৃত এসব এলপিজি দেয়া হবে ভারতের ত্রিপুরায়। ২০০১ সালে গ্যাস বিক্রি না করার কথা বলায় আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসতে পারেনি। আজকে যারা খুব সমালোচনা করছে, গ্যাস বিক্রির মুচলেকা দিয়ে সেই বিএনপি-জামায়াত ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসেছিল।

শেখ হাসিনা বলেন, একসময় একচেটিয়াভাবে হাতে গোনা কিছু ব্যবসা করতো। বর্তমানে ২৬টি কোম্পানি প্রতিযোগিতামূলকভাবে ব্যবসা করছে। আগে ১০ থেকে ১২ কেজির সিলিন্ডার দেড় হাজার টাকায় বিক্রি করতো, সেখানে এখন ৯০০ টাকায় বিক্রি করছে। এলপিজি গ্যাস বাংলাদেশের রফতানি আইটেমে নতুন যুক্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে-ভারতের কিছু সীমান্তবর্তী নদী রয়েছে। এসব নদীর অধিকার দুই দেশেরই। ফেনী নদী এমনই একটি নদী। পান করার জন্য খুব সামান্য পরিমাণ পানি দেয়া হবে।

আবরার ফাহাদ হত্যা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে আসামিদের গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ঘটনায় জড়িতদের যত ধরনের শাস্তি আছে সব দেয়া হবে। এভাবে ধরে নৃশংসভাবে মারা, এটা কেন। এখানে কোনো ছাড় নেই। কেউ যদি কোন অপরাধ করে সে কোন দল সেটি দেখা হয়না। কে ছাত্রলীগ, কে ছাত্রদল সেগুলা  বিচার করা হয় না। এনিয়ে আন্দোলন কেন বোধগম্য নয়।

ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ আনতে যায় পুলিশ। সেখানে তাদের ফুটেজ আনতে বাধা দেয় একদল শিক্ষার্থী। তারা কারা? ফুটেজ আনতে বাধা কেন প্রশ্ন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করার প্রশ্নই ওঠে না। ছাত্ররাজনীতি করার কারণে দেশের প্রতি মমত্ববোধ নিয়ে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে। বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে ছাত্ররাজনীতি জড়িত। কিছু ঘটনার জন্য ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করে দেয়ার কথা ঠিক নয়। এটা তো স্বৈরশাসকরা করে। একেকটা ছাত্রের পেছনে কয়েক লাখ টাকা খরচ করে সরকার। মেধাবি তৈরির জন্য এতো টাকা খরচ করা হয়। মাস্তানি করার জন্য তো এসব টাকা দেয়া হয় না। বুয়েট একটা স্বায়ত্বশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়। সরকার সেখানে ফান্ড দেয়। কিন্তু হস্তক্ষেপ করে না। তারা চাইলে সেখানে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করতে পারে। এটা তাদের বিষয়। হলে হলে কোনো মাস্তানি চলবে না-জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে, প্রতিটি হলে তল্লাশি করতে হবে।

বিএনএনিউজ২৪.কম/আর করিম চৌধুরী,এস জি নবী,এহক।

Print Friendly and PDF

আরো সংবাদ

আর্কাইভ
October 2019
FSSMTWT
« Sep Oct »
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930