ব্রেকিং নিউজ

পালিত হচ্ছে বিশ্ব টয়লেট দিবস


১৯ নভেম্বর, ২০১৯ ১:৫৭ : অপরাহ্ণ

বিশ্ব টয়লেট দিবস’ উপলক্ষে বাংলাদেশের সব স্কুলে পরিছন্ন টয়লেট নিশ্চিতের দাবিতে ‘নো মোর’ নোংরা টয়লেট’ নামে একটি অভিযানে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফী বিন মর্তুজা ।মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) রাজধানীর মিরপুরের পুলিশ স্টাফ কলেজে থেকে এ অভিযান শুরু হয়।


আজ ‘বিশ্ব টয়লেট দিবস’ উপলক্ষে প্রকাশিত ‘স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও স্যানিটেশন শ্রমিকদের মর্যাদা’ শীর্ষক  একটি  গবেষণা প্রতিবেদন  প্রকাশ করা হয়েছে। ওয়াটারএইড, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), বিশ্ব ব্যাংক ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) সম্মিলিতভাবে এ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

উন্নয়নশীল বিশ্বের কতিপয় দেশে স্যানিটেশন শ্রমিকদের জীবন ব্যবস্থা নিয়ে নতুন রিপোর্টে ওঠে এসেছে এ সব শ্রমিকরা জীবনের ঝুকিঁ নিয়ে কীভাবে কাজ করছে। তাদের  পেশাগত মর্যাদা ও অধিকার কীভাবে ক্ষুন্ন হচ্ছে।

বিশ্ব টয়লেট দিবসটি হ’ল উন্নয়নশীল বিশ্বের স্যানিটেশন শ্রমিকদের দুর্দশার সর্বাধিক বিস্তৃত অনুসন্ধান। এ রিপোর্টটি বাংলাদেশ, বলিভিয়া বুরকিনা ফেসো, হাইতি ও ভারত, কেনিয়া,সেনেগাল সাউথ আফ্রিকা ও উগান্ডার মতো দেশের সেনিটেশন শ্রমিকদের জীবন ব্যবস্থার উপর নির্মিত।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধিকাংশ সেনিটেশন কর্মীদের আয় অনানুষ্ঠানিক। তারা অধিকার এবং সামাজিক সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত হন প্রায়শই।তাদের জীবন মান কিংবা পেশাগত   কাজের মান উন্নয়নে তেমন কোন নীতি বা উদ্যোগ নিতে দেখা যায় না। তাদের নিয়ে পরিচালিত হয় না কোন প্রশিক্ষণ বা কর্মশালা। এ পেশায় নিয়োজিত কর্মীরা অসুস্থ হলে তাদের চিকিৎসা ব্যবস্থারও কোন ব্যবস্থা নেই। কিংবা বিষাক্ত গ্যাসের ক্রিয়ায় কোন কর্মী মারা গেলে তার মৃত্যুকালীন ক্ষতিপূরণ প্র্র্রদানেরও কোন ব্যবস্থা পরিলক্ষিত হয় না। তাদের পেশার  প্রয়োজনীয় অর্থায়ন বা প্রয়োগের ব্যবস্থার অভাব রয়েছে।
সেনিটেশন কর্মীরা টয়লেট পরিস্কারের কাজে নিয়োজিত থাকেন। তারা কূপ ও  সেপটিক ট্যাংকগুলো থেকে ময়লা সরিয়ে নেন।তারা নর্দমা মেনহোলগুলো আবর্জনা মুক্ত করেন। তারা আরো কাজ করেন পাম্পিং স্টেশন কিংবা ট্রিটমেন্ট প্লান্টে। এতে তাদের উপর রাসায়নিক  ও স্বাস্থ্য ঝুকিঁ থাকে প্রচুর। অথচ   পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ছাড়াই  এ সব ঝুকিঁ নিয়েই তারা প্রতিদিন কাজ করছে।

গবেষণা রিপোর্টে চারটি সুপারিশ করা হয়েছে: 

১. সেনিটেশন পেশাকে আইনগত বৈধতা দিয়ে নীতিমালা প্রণয়ন করা। পেশাগত সেনিটেশন কর্মীবাহিনী গড়ে তোলা।

২. এ পেশায় অপারেশনাল গাইডলাইন প্রদান করা। যাতে এ পেশার ঝুকিঁ সম্পর্কে কর্মীরা ওয়াকেবহাল থাকেন।

৩. এ পেশার কর্মীদের শ্রম অধিকার ও ন্যায্য পাওনা নিশ্চিতে তাদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করা

৪. সেনিটেশন কর্মীরা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রমাণের ভিত্তি তৈরি করা ও ডকুমেন্ট নির্মাণ

দেশগুলোর সরকারকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে এ ব্যাপারে সচেতন হতে ও  সেনিটেশন কর্মীদের নিয়ে আইএলও সেফটি কনভেনশন অনুসরণ করতে।

প্রত্যেকে টয়লেটে যায় এবং বর্জ্যটি সঠিকভাবে মোকাবেলা না করা হলে সবাইকে মারাত্মক জলবাহিত রোগের ঝুঁকিতে ফেলে দেয়া হয়।স্যানিটেশন কর্মীরা তাই যে কোনও সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

সম্পাদনায় : আবির হাসান, এহক।

 

Print Friendly and PDF

আরো সংবাদ

আর্কাইভ
November 2019
F S S M T W T
« Oct   Dec »
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031