বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ব্রেকিং নিউজ

১৭ মার্চ থেকে শুরু জনশুমারি ও গৃহগণনা


২৩ জানুয়ারি, ২০২০ ১:২০ : অপরাহ্ণ

চট্টগ্রাম : পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, মুজিব বর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী চালু করছেন ই পাসপোর্ট। আর আমরা চালু করছি ই-সেন্সার। যার মাধ্যমে যে কেউ জানতে পারবে বাংলাদেশের জনসংখ্যা কত।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বেলা ১১ টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের কনফারেন্স রুমে বিবিএস এর জনশুমারি ও গৃহগণনা এর মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, এখন দেশে পরিবর্তনের হাওয়া বয়ছে। দেশের যে উন্নয়ন এটা সারাবিশ্ব জানে।
পরিসংখ্যান গবেষণায় আমরা বিশ্ব মানের একটা ইন্সটিটিউট করছি। কারণ সারা বিশ্বে পরিসংখ্যানের গুরুত্ব রয়েছে। আর সেন্সার নতুন কিছু নয়। এটা বাইবেলের মধ্যেও রয়েছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, গণশুনানির গুরুত্ব অনেক, তা না হলে একজন রাজা তার রাজ্যের প্রজার সংখ্যা জানতে পারবে না। আর প্রজার সংখ্যা জানতে না পারলে খাজনা আদায় করা সম্ভব না। আমরা লুকিয়ে কোন কাজ করব না। কোনো ভয়ংকর তথ্য থাকলে তা সবার সামনে প্রকাশ করা হবে। শুনানি গণনায় যদি কেউ এইচএসসি পাশ থাকে আর সে দলীয় হোক, নির্দলীয় হোক বা অন্য দলীয় হউক সমস্যা নাই। কাজ পারলেই হলো।

রোহিঙ্গাদের প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য উচ্চ মহলের চিন্তা ভাবনা রয়েছে। তারা হচ্ছে আমাদের দেশের অতিথি।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব সৌরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী বলেন,সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা পরিবীক্ষণ ও গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণে জনশুমারি তথ্য অন্তত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী থেকে শুরু হবে এবং শেষ হবে ২০২১ সালের ২ জানুয়ারি। এই সময় কে জিরো আওয়ার রেফারেন্স পয়েন্ট ধার্য করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সঠিক তথ্য নিশ্চিত করতে গণনাকারী ও সুপারভাইজারের যোগ্যতা ও প্রতিযোগিতামূলক নিয়োগ পদ্ধতি ২০২১ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনায় নূন্যতম উচ্চমাধ্যমিক স্থানীয় যুবক ও যুব মহিলাদেরকে গণনাকারী ও সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হবে। পরিসংখ্যান ব্যুরো মহাপরিচালক মো. তাজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পরিচালিত হয়। বিভাগের জেলা প্রশাসকগণ ও বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী থেকে শুরু হবে জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২১। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হচ্ছে ১ হাজার ৭৬১ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।

তার মধ্যে সরকারি অর্থায়নে ১ হাজার ৫৭৮ কোটি ৬৮ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক অর্থায়নে ১৮৩ কোটি ১১ লাখ টাকা। খানা তালিকা প্রণয়নের জন্য ১ম বারের মত এই শুমারিতে মূল শুমারির পূর্বে লিস্টিং অপারেশন পরিচালনা করা হবে এবং প্রতিটি খানার জন্য একটি ইউনিক হাউসহোল্ড আইডি প্রদান করা হবে।

প্রথমবারের মত মাল্টিমোড ( মোবাইল অ্যাপ, ওয়েব অ্যাপ, ড্রপ অ্যান্ড পিক, পেপার বেইজড, কল সেন্টার ইত্যাদি) পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এর মাধ্যমে দেশে প্রথম বারের মত সীমিত আকারে ই-সেন্সার পরিচালনা করা হবে। এই শুমারিতে প্রথম বারের মতো বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিক ও বিদেশে অবস্থারত বা ভ্রমণরত বাংলাদেশি নাগরিকদেরও গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

প্রতিবেদক:  মনির ফয়সাল/ এইচ. এম।

Print Friendly and PDF

আরো সংবাদ

আর্কাইভ
January 2019
FSSMTWT
« Dec Feb »
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031