বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০

ব্রেকিং নিউজ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পর্ব : ১৯১


১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ১১:৫০ : পূর্বাহ্ণ

জীবন বীমা বাণিজ্যকে জাতীয়করণ করতে হবে

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি নিধনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ঢাকায় অসংখ্য নিরীহ সাধারণ বাঙালি নাগরিক, ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, পুলিশকে হত্যা করে। ওই রাতেই গ্রেপ্তার করা হয় ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রাপ্ত দল আওয়ামী লীগ প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। পরিকল্পিত গণহত্যার মুখে সারাদেশে শুরু হয় প্রতিরোধ যুদ্ধ। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর), ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ এবং সর্বোপরি বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী সাধারণ মানুষ গড়ে তোলে মুক্তিবাহিনী। গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ চালিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে। ডিসেম্বরের শুরুর দিকে যখন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর পতন অনিবার্য হয়ে ওঠে। মুক্তিবাহিনীর কাছে পরাজয়ের লজ্জা এড়াতে স্বাধীনতা যুদ্ধকে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। ৩ ডিসেম্বর ভারতে বিমান হামলার মাধ্যমে যুদ্ধে লিপ্ত হয় পাক বাহিনী। মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সম্মিলিত আক্রমণের মুখে পর্যদুস্ত ও হতোদ্যম পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী যুদ্ধ বিরতির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। কিন্তু ১৬ ডিসেম্বর কোন ঘোষণা ছাড়াই ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তান ৯৩,০০০ হাজার সৈন্যসহ যুদ্ধবিরতির পরিবর্তে আত্মসমর্পণের দলিলে সই করে। বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ হিসাবে পৃথিবীর মানচিত্রে আত্মপ্রকাশ করে। স্বাধীনতার সেই প্রেক্ষাপট বর্তমান প্রজন্মের কাছে অজানা। নতুন প্রজন্মের কাছে  স্বাধীনতার সঠিক  ইতিহাস তুলে ধরতেই বাংলাদেশ নিউজ এজেন্সি (বিএনএ) বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধ দলিলপত্র (১-১৫ খণ্ড) এর ভিত্তিতে ধারাবাহিক ভাবে প্রচার করছে ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ’।

আজ প্রচারিত হলো  পর্ব : ১৯১

(গ) বছরব্যাপী  অর্থ ব্যয়ের জন্য যে  সঠিক  নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা তা  মন্ত্রীদের  বেলায়  প্রযোজ্য  হবে না।

(ঘ) পরিকল্পনা বিভাগঃ এই  বিভাগ  নিম্নোক্তবিষয়াবলীর  সাথে সম্পৃক্ত ব্যাপারগুলি  নিয়ে  কাজ  করবেঃ

(a) আর্থিক সহায়তাসহ  উন্নয়নের  জন্য  ঋণের ব্যাপারও  দেখবে

(b) মূলধনের  সাথে  বাজেট এবং  তহবিলের  মূল একাউন্টের  সাথে  খরচের হিসাব নিমন্ত্রণ করা।

(c) জাতীয় সমীক্ষা প্রশাসন সম্পর্কিত নীতিনির্ধারণ

(d) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান  প্রতিষ্ঠান

তাছাড়া এটি মন্ত্রণলয়গুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধন   করে কেন্দ্রিয় সরকারের  বিভিন্ন  অর্থনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী নিয়েও কাজ করবে।

এটি পঞ্চবার্ষিকী মেয়াদি জনসহায়তা কার্যক্রমও  দেখবে।

৩। অভ্যন্তরীণ অর্থবিভাগঃ  এই বিভাগ বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় ব্যাংকের মুদ্রা এবং ব্যাংকিং, টাকশাল প্রশাসন,নিরীক্ষা অধিদপ্তর  এবং ‘বাংলাদেশ  সিকিউরিটি প্রেস’ এর সাথে সম্পর্কিত বিষয়াবলীর কাজ  করবে।

৪। বহিঃ অর্থবিভাগঃ  এটা বিদেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে কাজ করে।

এই বিভাগ সাধারণত   বিনিময় নিয়ন্ত্রণ, পেমেন্ট ও অন্যান্য আর্থিক চুক্তি সম্পাদন,

বিদেশী বিনিয়োগের জন্য প্রস্তাব যাচাই, বিদেশী ঋণ সংগ্রহ এবং

বাংলাদেশের  সাথে বৈদেশিক আর্থিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক  নিয়ে কাজ  করবে।

এই  বিভাগটি তিনটি শাখায়  বিভক্তঃ

বিনিময়  নিয়ন্ত্রণ শাখাঃ এই বিভাগ বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময়ে বিভিন্ন প্রকার পন্য যেমনঃ শস্য দানা আমদানির সাথে বিভিন্ন বৈদেশিক সংস্থা প্রদত্ত সহায়তা, মোট  সম্পদের  সাথে  বৈদেশিক  রপ্তানি  থেকে  প্রাপ্ত আয় এবং অন্যান্য  দৃশ্যমান  আয়ের ব্যাপারও   দেখবে।

অধিকন্তু  এই বিভাগ বিদেশি মুদ্রা পাওয়ার ব্যাপারে ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ  করবে।

(b) দ্বিতীয় শাখাঃ  এই  বিভাগ আন্তর্জাতিক মুদ্রা  তহবিলের সাথে কাজ করবে এবং I.B.R.D সহ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সাথে মুদ্রা বিনিময়ে বিধিনিষেধ এর ব্যাপারে বাৎসরিক আলোচনা করবে।

(c) তৃতীয় শাখাঃ  এই শাখাটি  বৈদেশিক  সাহায্যের  (অর্থনৈতিক ও  কারিগরি)  ব্যাপারে কাজ  করবে।

এইবিভাগসকলপ্রকারআন্তর্জাতিকসহায়তাবিষয়ককাজগুলি “অর্থনৈতিকবিষয়কঅধিদপ্তর ” এরমাধ্যমেসম্পাদিতহবে। এবংএইশাখাটিবিদেশিসরকারের, বিভিন্নআন্তর্জাতিকসংস্থাএবংবিশ্বপ্রেমিকসংগঠনেরসাথেচুক্তিসম্পাদনেকাজকরবে।

৫।অর্থনীতি বিভাগঃ এই বিভাগের দায়িত্বে থাকিবে  অর্থনৈতিক  উপদেষ্টা,সহায়তায় একজন ডেপুটি অর্থনৈতিক উপদেষ্টা এবং কয়েকজন সহকারী অর্থনৈতিক উপদেষ্টা এবং গবেষণা  কর্মকর্তা।

অর্থনৈতিক বিভাগের কার্যকলাপ নিম্নরুপঃ

(a) অর্থনীতি, অর্থনৈতিক এবং আর্থিক বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে গবেষণা ও পড়াশোনা করা।

(b) প্রস্তুতি এবং পেমেন্ট এর মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রেখে পরিসংখ্যানগত রক্ষণাবেক্ষণ,

বাণিজ্য, মুদ্রা ও মুদ্রা ভারসাম্য   বজায় রাখা।

(c) বিদেশী অর্থনীতি এবং অর্থনৈতিক সম্পর্কিত  প্রতিবেদন যেসব বাংলাদেশি কূটনৈতিকরা এবং বিদেশী ব্যবসায়ীরা পাঠিয়ে থাকেন সে সব   বিষয়ে পর্যালোচনা এবং পড়াশোনা।

৬। বীমা বিভাগঃ জীবন বীমা বাণিজ্যকে জাতীয়করণ করতে হবে। একটা জীবন বীমা সংস্থা গড়ে তুলতে হবে। এই বিভাগ বীমা আইন নিয়ে কাজ করবে।

কোম্পানি  আইন ও প্রশাসন বিভাগঃ এই বিভাগটি কোম্পানি প্রশাসন ও এর সাথে সম্পর্কিত পেশাদারী  ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সংস্থা নিয়ে কোম্পানি তদন্ত, লেনদেন এবং অনুমোদন নীতিমালা নিয়ে কাজ করবে। সেখানে চিটাগাং এর কিছু আঞ্চলিক অধিদপ্তর হতে পারে। খুলনা, রাজশাহী ও ঢাকার জন্য আলাদা বিভাগীয় পরিচালক, কোম্পানি ব্যবস্থাপক ও কোম্পানি আইন প্রণেতা থাকবে। বিভাগীয় অধিদপ্তরের মূল কাজ হবেঃ

১। কোম্পানির সব গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন এবং  এর ব্যবস্থাপনার ব্যাপারে সর্বদা দেশের সংস্পর্শে থাকতে হবে।

২। নিবন্ধিত কোম্পানী গুলোর কর্মদক্ষতার দিকে নজর রাখা এবং তাদেরকে সকল ব্যাপারে উপদেশ দেয়া যখনি তারা তা চাইবে।

৩। কোম্পানীর বিষয়াদি তদন্দ ও অনুসন্ধানের জন্য নিয়োগকৃত পরিদর্শককে সবসময় স্মরণিকা, পাবলিক প্রিসিকিউটর, পুলিশ প্রশাসন এবং অনুসন্ধানী পরিদর্শককে কার্যাবলির জন্য সহায়তা করতে হবে।

৪। গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও শিল্প উন্নয়নের ব্যাপারে    দেশ এবং কোম্পানির ব্যবস্থাপনা প্রবণতা এবং কোম্পানি আইন নিয়মানুযায়ী সুরক্ষিত করতে সহায়তা করা এবং  প্রশাসনিক  যুক্তি পরামর্শ অব্যাহত রাখা।

৫। যোগাযোগ কর্মকর্তা হিসাবে কোম্পানি এবং সরকারের মধ্যবর্তী কাজ করা।

৬। মানুষ এবং বিশেষ করে ছোট কোম্পানি গুলোকে আইনের প্রয়োগ এর ব্যাপারে নির্দেশনা দেয়া।

যৌথ কার্যালয়ঃ

নিম্নে যৌথ কার্যালয়ের বিস্তারিত বর্ণনা দেয়া হল জাতীয় সঞ্চয় কমিশনারের কার্যালয় ঢাকাঃ এই অফিস একটি জেলার ভিত্তিতে কাজ করা উচিত এবং একটি কেন্দ্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে। ঢাকায় অফিস, জাতীয় সঞ্চয় কমিশনারের অধীনস্থ হবে। আমি, সে পুরো প্রতিষ্ঠানের লক্ষ হবে জনগণের মধ্যে মিতব্যয়িতা অভ্যাস গড়ে তুলা।

(২) বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রেস (সাথে কারেন্সি নোট প্রেস এবং সেন্ট্রাল স্ট্যাম্প স্টোর নির্মিতব্য) বাংলাদেশের সরকারি নোট, ডাক এবং অন্যান্য স্ট্যাম্প, ডাক স্টেশনারি এবং বিবিধ সামগ্রী, যেমন আবগারি ব্যান্ডরোল এখানে ছাপানো হবে।

(৩) বাংলাদেশের  সরকারি টাকশাল (ঢাকায় নির্মিতব্য)। টাকশালের প্রধান কাজগুলি হবে: (ক) ছাপা, ঢালাই, মুদ্রণ এবং বাংলাদেশের খনি, ব্যাংক, বাটখারা ব্যবসায়ী এবং সাধারণ জনগণের স্বর্ণ ও রুপার বাট বিশোধন করা। (খ) স্টেট্ ব্যাঙ অফ বাংলাদেশের জন্যে নোট-পানচিং মেশিনের উৎপাদন এবং মেরামত করা। (গ) আদর্শ ওজন ও পরিমাপের উৎপাদন এবং যাচাইকরণ এবং সামঞ্জ্যঃসকরণ। (ঘ) স্ট্যাম্প অফিসের রঞ্জক, সরকারি সিল ইত্যাদি উৎপাদন। (ঙ) মেডেল, সামরিক নক্ষত্র এবং ব্যাজের আকর্ষণীয়তা বৃদ্ধি। (৪) গবেষণা বিভাগ। সরকারি বিভাগ এবং জনসাধারণ ও বিশিষ্ট ব্যক্তির জন্যে স্বর্ণ এবং রৌপ্য এবং জালমুদ্রা ইত্যাদি যাচাই-বাছাই করার জন্য দায়বদ্ধ থাকবে। (৫) জাতিসংঘের কারিগরি সহায়তা বোর্ডের অফিস। ঢাকা। এই দপ্তরের প্রধান কাজগুলো হলো:

ক) সংগঠনে জমা প্রদানের লক্ষ্যে দেশের নীতি নির্ধারণ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পে প্রযুক্তি সাহায্য বিষয়ক পরিকল্পনা উপস্থানের ব্যাপারে সরকারকে সহায়তা ও পরামর্শ প্রদান করা।

(খ) প্রযুক্তি সহায়তা বিষয়ক বোর্ড এবং সংগঠন গুলোকে বাংলাদেশে প্রযুক্তি সহায়তার ব্যাপারে পরামর্শ প্রদান করা। সেই সাথে সংগঠন গুলোর পক্ষ থেকে সরকারের সাথে চুক্তি প্রণয়ন এবং প্রয়োজনে এই সকল সংগঠনকে সরকারী নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে অন্যান্য চুক্তির ব্যাপারে সহায়তা করা।

(গ) বিভিন্ন সংগঠন দ্বারা প্রযুক্তি সহায়তার যথাযথ প্রভাবমূলক ফলাফল নিশ্চিত করার জন্য সহায়তা প্রদান এবং সেই সাথে বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরে প্রযুক্তি ব্যবহার এবং সহায়তা সংগঠনগুলো দ্বারা নিযুক্ত বিশেষজ্ঞদের দ্বারা ঠিকমত বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না তা তদারক করা।

(ঘ) সুবিধার জন্যে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্থাপিত সমন্বিত মেশিনারি ব্যবহার করতে কারিগরি সহায়তা করা।

(ঙ) প্রয়োজনে প্রশাসনের কাছ থেকে বিশেষজ্ঞদের বিশেষ অনুরোধ বিবেচনায় প্রশাসনিক সহায়তা প্রদান এবং সেই সাথে বিশেষজ্ঞদের ফান্ড এর বাইরে সরকারি ভাবে কিংবা সংগঠনের কাছ থেকে আনুষঙ্গিক খরচ প্রদান নিশ্চিত করা।

(চ) ফেলোশীপ ও বৃত্তি প্রার্থীর বাছাই করতে সরকারকে সহায়তা করা।

(গ)বছরব্যাপী অর্থব্যয়ের   জন্য  যে  সঠিক  নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা  মন্ত্রীদের  বেলায়  প্রযোজ্য  হবেনা।

(ঘ) পরিকল্পনা  বিভাগঃ  এই  বিভাগ  নিম্নোক্তবিষয়াবলীর  সাথে   সম্পৃক্ত  ব্যাপারগুলি  নিয়ে কাজ করবেঃ

(a) আর্থিক সহায়তাসহ  উন্নয়নের  জন্য ঋনের  ব্যাপারও দেখবে

(b) মূলধনের সাথে বাজেট  এবং  তহবিলের  মূল  একাউন্টের  সাথে  খরচের  হিসাব  নিয়ন্ত্রণকরা।

(c) জাতীয়  সমীক্ষা প্রশাসন  সম্পর্কিত নীতি  নির্ধারণ

(d) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান  প্রতিষ্ঠান

তাছাড়া এটি মন্ত্রনালয়গুলোর  মধ্যে  সমন্বয় সাধণ করে কেন্দ্রিয় সরকারের  বিভিন্ন  অর্থনৈতিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলী নিয়েও কাজ করবে।এটি পঞ্চবার্ষিকী  মেয়াদি জন সহায়তা কার্যক্রমও  দেখবে।

৩।অভ্যন্তরীণ  অর্থবিভাগঃএই  বিভাগ  বাংলাদেশ  রাষ্ট্রীয়ব্যাংকেরমুদ্রাএবংব্যাংকিং, টাকশালপ্রশাসন,নিরীক্ষাঅধিদপ্তরএবং ‘বাংলাদেশসিকিউরিটিপ্রেস’ এরসাথেসম্পর্কিতবিষয়াবলীরকাজকরবে।

৪।বহিঃঅর্থবিভাগঃএটা বিদেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে কাজ করে।

এইবিভাগসাধারণতবিনিময় নিয়ন্ত্রণ, পেমেন্ট ও অন্যান্য আর্থিক চুক্তি সম্পাদন,

বিদেশী বিনিয়োগের জন্য প্রস্তাব যাচাই, বিদেশী ঋণ সংগ্রহএবং

বাংলাদেশেরসাথে বৈদেশিক আর্থিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কনিয়েকাজকরবে।

এইবিভাগটিতিনটিশাখায়বিভক্তঃ

(a) বিনিময় নিয়ন্ত্রণ শাখাঃ এই বিভাগ বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময়ে বিভিন্ন প্রকার পণ্য যেমনঃ শস্যদানা আমদানির সাথে বিভিন্ন বৈদেশিক সংস্থা প্রদত্ত  সহায়তা, মোট সম্পদের  সাথে  বৈদেশিক  রপ্তানি  থেকে  প্রাপ্ত আয় এবং অন্যান্য দৃশ্যমান আয়ের ব্যাপারও দেখবে।

অধিকন্তু এই বিভাগ বিদেশি মুদ্রা পাওয়ার ব্যাপারে ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করবে।

(b) দ্বিতীয়শাখাঃএইবিভাগআন্তর্জাতিকমুদ্রাতহবিলেরসাথেকাজকরবেএবং I.B.R.D সহ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সাথে মুদ্রা বিনিময়ে  বিধিনিষেধ এর ব্যাপারে  বাৎসরিক  আলোচনা  করবে।

(c) তৃতীয়শাখাঃএইশাখাটিবৈদেশিকসাহায্যের(অর্থনৈতিকওকারিগরি)  ব্যাপারেকাজকরবে।

এই  বিভাগ সকল  প্রকার  আন্তর্জাতিক  সহায়তা  বিষয়ক কাজগুলি “অর্থনৈতিক  বিষয়ক  অধিদপ্তর ” এর  মাধ্যমে  সম্পাদিত হবে। এবং এই শাখাটি বিদেশি সরকারের, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং বিশ্ব প্রেমিক  সংগঠনের সাথে চুক্তি সম্পাদনে কাজকরবে।

৫।অর্থনীতিবিভাগঃএই বিভাগের দায়িত্বে থাকিবে

অর্থনৈতিকউপদেষ্টা,সহায়তায় একজন ডেপুটি অর্থনৈতিক উপদেষ্টা এবং কয়েকজন সহকারী অর্থনৈতিক উপদেষ্টা এবংগবেষণাকর্মকর্তা।

অর্থনৈতিক বিভাগের কার্যকলাপ নিম্নরুপঃ

(a) অর্থনীতি, অর্থনৈতিক এবং আর্থিক বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে গবেষণা ও পড়াশোনা করা।

(b) প্রস্তুতি এবং পেমেন্ট এর মধ্যে সামঞ্জস্য বজায় রেখে পরিসংখ্যানগত রক্ষণাবেক্ষণ,

বাণিজ্য, মুদ্রা ও মুদ্রা ভারসাম্ বজায় রাখা।

(c) বিদেশী অর্থনীতি এবং অর্থনৈতিক সম্পর্কিত  প্রতিবেদন যেসব বাংলাদেশি কূটনৈতিকরা এবং বিদেশী ব্যাবসায়ীরা পাঠিয়ে থাকেন সেইসব বিষয়ে পর্যালোচনা এবং পড়াশোনা।

৬। বীমা বিভাগঃ জীবন বীমা বাণিজ্যকে জাতীয়করণ করতে হবে। একটা জীবন বীমা সংস্থা গড়ে তুলতে হবে। এই বিভাগ বীমা আইন নিয়ে কাজ করবে।

কোম্পানি আইন ও প্রশাসন বিভাগঃ এই বিভাগটি কোম্পানি প্রশাসন ও এর সাথে সম্পর্কিত পেশাদারী  ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সংস্থা নিয়ে কোম্পানি তদন্ত, লেনদেন এবং অনুমোদন নীতিমালা নিয়ে কাজ করবে। সেখানে চিটাগাং এর কিছু আঞ্চলিক অধিদপ্তর হতে পারে। খুলনা, রাজশাহী ও ঢাকার জন্য আলাদা বিভাগীয় পরিচালক, কোম্পানি ব্যবস্থাপক ও কোম্পানি আইন প্রণেতা থাকবে। বিভাগীয় অধিদপ্তরের মূল কাজ হিবেঃ

১। কোম্পানির সব গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন এবং  এর ব্যবস্থাপনার ব্যাপারে সর্বদা দেশের সংস্পর্শে থাকতে হবে।

২। নিবন্ধিত কোম্পানী গুলোর কর্মদক্ষতার দিকে নজর রাখা এবং তাদেরকে সকল ব্যাপারে উপদেশ দেয়া যখনি তারা তা চাইবে।

৩। কোম্পানীর বিষয়াদি তদন্ত অনুসন্ধানের জন্য নিয়োগকৃত পরিদর্শককে সবসময় স্মরণিকা, পাবলিক প্রসিকিউটর, পুলিশ প্রশাসন এবং অনুসন্ধানী পরিদর্শককে কার্যাবলির জন্য সহায়তা করতে হবে।

৪। গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও শিল্প উন্নয়নের ব্যাপারে

দেশ এবং কোম্পানির ব্যবস্থাপনা প্রবণতা এবং

কোম্পানি আইন নিয়মানুযায়ী সুরক্ষিত করতে সহায়তা করা এবং

প্রশাসনিক  যুক্তি পরামর্শ অব্যাহত রাখা।

৫। যোগাযোগ কর্মকর্তা হিসাবে কোম্পানি এবং সরকারের মধ্যবর্তী কাজ করা।

৬। মানুষ এবং বিশেষ করে ছোট কোম্পানি গুলোকে আইনের প্রয়োগ এর ব্যাপারে নির্দেশনা দেয়া।

যৌথ কার্যালয়ঃ  নিম্নে যৌথ কার্যালয়ের বিস্তারিত বর্ণনা দেয়া হলঃ

জাতীয় সঞ্চয় কমিশনারের কার্যালয় ঢাকাঃ  এই অফিস একটি জেলার ভিত্তিতে কাজ করা উচিত এবং একটি কেন্দ্র দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে।  ঢাকায় অফিস, জাতীয় সঞ্চয় কমিশনারের অধীনস্থ হবে। আমি, সে পুরো প্রতিষ্ঠানের লক্ষ হবে জনগণের মধ্যে মিতব্যয়িতা অভ্যাস গড়ে তোলা।

(২) বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রেস (সাথে কারেন্সি নোট প্রেস এবং সেন্ট্রাল স্ট্যাম্প স্টোর নির্মিতব্য) বাংলাদেশের সরকারি নোট, ডাক এবং অন্যান্য স্ট্যাম্প, ডাক স্টেশনারি এবং বিবিধ সামগ্রী, যেমন আবগারি ব্যান্ডরোল এখানে ছাপানো হবে। (৩) ব্যান্ডলাদেশের সরকারি টাকশাল (ঢাকায় নির্মিতব্য)। টাকশালের প্রধান কাজগুলি হবে: (ক) ছাপা, ঢালাই, মুদ্রণ এবং বাংলাদেশের খনি, ব্যাংক, বাটখারা ব্যবসায়ী এবং সাধারণ জনগণের স্বর্ণ ও রুপার বাট বিশোধন করা। (খ) স্টেট ব্যাংক অফ বাংলাদেশের জন্যে নোট-পানচিং মেশিনের উৎপাদন এবং মেরামত করা। (গ) আদর্শ ওজন ও পরিমাপের উৎপাদন এবং যাচাইকরণ এবং সামঞ্জস্যকরণ। (ঘ) স্ট্যাম্প অফিসের রঞ্জক, সরকারি সিল ইত্যাদি উৎপাদন। (ঙ) মেডেল, সামরিক নক্ষত্র এবং ব্যাজের আকর্ষণীয়তা বৃদ্ধি। (৪) গবেষণা বিভাগ। সরকারি বিভাগ এবং জনসাধারণ ও বিশিষ্ট ব্যক্তির জন্যে স্বর্ণ এবং রৌপ্য এবং জালমুদ্রা ইত্যাদি যাচাই-বাছাই করার জন্য দায়বদ্ধ থাকবে। (৫) জাতিসংঘের কারিগরি সহায়তা বোর্ডের অফিস। ঢাকা। এই দপ্তরের প্রধান কাজগুলো হলো:

ক) সংগঠনের জমা প্রদানের লক্ষ্যে দেশের নীতি নির্ধারণ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পে প্রযুক্তি সাহায্য বিষয়ক পরিকল্পনা উপস্থানের ব্যাপারে সরকারকে সহায়তা ও পরামর্শ প্রদান করা।

(খ) প্রযুক্তি সহায়তা বিষয়ক বোর্ড এবং সংগঠন গুলোকে বাংলাদেশে প্রযুক্তি সহায়তার ব্যাপারে পরামর্শ প্রদান করা। সেই সাথে সংগঠন গুলোর পক্ষ থেকে সরকারের সাথে চুক্তি প্রণয়ন এবং প্রয়োজনে এই সকল সংগঠনকে সরকারী নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে অন্যান্য চুক্তির ব্যাপারে সহায়তা করা।

(গ) বিভিন্ন সংগঠন দ্বারা প্রযুক্তি সহায়তার যথাযথ প্রভাবমূলক ফলাফল নিশ্চিত করার জন্য সহায়তা প্রদান এবং সেই সাথে বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরে প্রযুক্তি ব্যবহার এবং সহায়তা সংগঠনগুলো দ্বারা নিযুক্ত বিশেষজ্ঞদের দ্বারা ঠিকমত বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না তা তদারক করা।

(ঘ) সুবিধার জন্যে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্থাপিত সমন্বিত মেশিনারি ব্যবহার করতে কারিগরি সহায়তা করা।

(ঙ) প্রয়োজনে প্রশাসনের কাছ থেকে বিশেষজ্ঞদের বিশেষ অনুরোধ বিবেচনায় প্রশাসনিক সহায়তা প্রদান এবং সেই সাথে বিশেষজ্ঞদের ফান্ড এর বাইরে সরকারি ভাবে কিংবা সংগঠনের কাছ থেকে আনুষঙ্গিক খরচ প্রদান নিশ্চিত করা।

(চ) ফেলোশীপ ও বৃত্তি প্রার্থীর বাছাই করতে সরকারকে সহায়তা করা।

 

পরিকল্পনা : ইয়াসীন হীরা

গ্রন্থনা : সৈয়দ গোলাম নবী

সম্পাদনায় : আবির হাসান

আরো সংবাদ

আর্কাইভ
February 2020
FSSMTWT
« Jan  
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031